প্রকাশিত: ৪ ঘন্টা আগে, ০১:৫৭ পিএম

অনলাইন সংস্করণ

মাকসুদা বেগম হত্যার প্রতিবাদে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নারায়ণগঞ্জের বন্দরে মাকসুদা বেগম হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে এবং জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ শনিবার (২৪ অক্টোবর ২০২৬) সকাল ১০টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে নিহত মাকসুদা বেগমের পরিবারের সদস্য ও এলাকাবাসীর উদ্যোগে এ মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন নিহত মাকসুদা বেগমের ছেলে ও ঘটনায় আহত রাসেল ইসলাম, মো. জজ মিয়া, মেয়ে শারমিন আক্তার, বোন মোসা. নাসরিন সুলতানা, আনোয়ারা বেগম, ছানোয়ারা বেগমসহ পরিবারের সদস্য ও অন্যান্য উপস্থিত ব্যক্তিরা।

পরিবারের অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১৩ অক্টোবর ২০২৬ রাত আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ২০ নম্বর ওয়ার্ডের বন্দর থানাধীন মাহমুদনগরে, ইনসি সিমেন্ট ফ্যাক্টরির সামনে পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

অভিযোগে বলা হয়, ভাঙারি ব্যবসার লেনদেনসংক্রান্ত পাওনা টাকা চাইতে গেলে বিবাদীদের সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে কয়েকজন মাকসুদা বেগমের ওপর হামলা চালান। এতে তিনি গুরুতর আহত হন এবং ঘটনাস্থলে বা পরবর্তী সময়ে তাঁর মৃত্যু হয় বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়। মায়ের চিৎকার শুনে এগিয়ে এলে তাঁর ছোট ছেলে রাসেল ইসলামও হামলার শিকার হয়ে আহত হন।

এ ঘটনায় নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়। মামলার নম্বর ২৬, তারিখ ১৩ অক্টোবর ২০২৬।

মামলায় অভিযুক্ত হিসেবে যাঁদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, তাঁরা হলেন—সাদ্দাম হোসেন, সামাউন হাবিব, তায়েম হাবিব, ওয়ালিদ মুন্সী, খোকন মিয়া ওরফে তুরগ আলী এবং মো. সিয়াম। এ ছাড়া আরও দুই থেকে চারজন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করা হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।

বক্তারা বলেন, মাকসুদা বেগম হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে হবে। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান তাঁরা। একই সঙ্গে এ ঘটনায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন নিহতের পরিবারের সদস্যরা।

মানববন্ধন থেকে বক্তারা ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা এবং নিহতের পরিবারের নিরাপত্তা ও আহত রাসেল ইসলামের যথাযথ চিকিৎসার ব্যবস্থা গ্রহণেরও দাবি জানান।

মন্তব্য করুন