প্রকাশিত: ১০ ঘন্টা আগে, ০৫:০৯ পিএম

অনলাইন সংস্করণ

সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সবুজায়নের উদ্যোগ

প্রাণিসম্পদ প্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু রাজশাহীতে

উৎপল কুমার সরকার
‘বৃক্ষ রোপণে সাজাবো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে রাজশাহীর প্রাণিসম্পদ প্রতিষ্ঠানসমূহে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বিকেলে রাজশাহী নগরীর তালাইমারী এলাকায় মেট্রো প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) মো. শাহজামান খান।
অনুষ্ঠানে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের হাতে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা তুলে দেওয়া হয়। পরে অতিথিরা প্রতিষ্ঠানটির আঙিনায় বৃক্ষরোপণ করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাসিক প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ ও দেশের মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত ৩১ দফা রূপরেখার আলোকে দেশকে এগিয়ে নিতে বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। জনগণের কল্যাণে কাজ করার পাশাপাশি দুর্নীতিমুক্ত, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য।”
তিনি আরও বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই। গাছ শুধু পরিবেশ রক্ষা করে না, মানুষের জীবন ও জীবিকার সঙ্গেও এর নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর আঙিনা এবং অব্যবহৃত জায়গায় পরিকল্পিতভাবে বৃক্ষরোপণ করা হলে একদিকে যেমন সবুজায়ন বাড়বে, অন্যদিকে প্রতিষ্ঠানগুলোর সৌন্দর্য ও পরিবেশগত মানও উন্নত হবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর প্রকল্প পরিচালক ড. মো. শফিকুর রহমান ,রাজশাহীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সবুর আলী, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল করিম, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর রাজশাহী বিভাগের পরিচালক ড. আনন্দ কুমার অধিকারী এবং জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মো. আতোয়ার রহমান।
কর্মসূচির আওতায় রাজশাহী জেলার প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও এর আওতাধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের আঙিনা এবং খালি জায়গায় ফলদ, বনজ ও ঔষধি প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করা হবে। এর মাধ্যমে প্রাণিসম্পদ প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও সবুজ, নান্দনিক ও পরিবেশবান্ধব করে গড়ে তোলার পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় ভূমিকা রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন সংশ্লিষ্টরা।

মন্তব্য করুন