প্রকাশিত: ১ ঘন্টা আগে, ১০:২২ এ এম

অনলাইন সংস্করণ

মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি ও বিচারিক কার্যক্রম ত্বরান্বিত করার ওপর গুরুত্ব

রাজশাহীতে অর্ধবার্ষিক বিচার বিভাগীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত

রাজশাহী ব্যুরো
রাজশাহী মহানগর দায়রা জজ আদালতের অর্ধবার্ষিক বিচার বিভাগীয় সম্মেলন-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্মেলনে মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি, সাক্ষীদের আদালতে উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ, আলামত সংরক্ষণ ও ধ্বংস, রাসায়নিক পরীক্ষা, ময়নাতদন্ত, ভিসেরা ও জখমি প্রতিবেদনসহ বিচারিক কার্যক্রমের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন মহানগর দায়রা জজ আদালতের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মোহাঃ ইমদাদুল হক। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক আশরাফুন্নাহার রীটা।
সম্মেলনে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের পক্ষে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আতাউল্লাহ এবং মহানগর দায়রা জজ আদালতের পক্ষে যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক মোঃ জাহিদ হাসান।
মূল প্রবন্ধে মোঃ জাহিদ হাসান বলেন, মহানগর আদালতে সহায়ক কর্মচারীর সংখ্যা অত্যন্ত কম হওয়া সত্ত্বেও গত আট মাসে মামলা নিষ্পত্তির হার প্রায় ১৩০ শতাংশ হয়েছে।
সম্মেলনে এক বছরের বেশি সময় ধরে তদন্তাধীন মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি, সাক্ষীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা, আলামত সংরক্ষণ ও ধ্বংস, রাসায়নিক পরীক্ষা, ময়নাতদন্ত, ভিসেরা ও জখমি প্রতিবেদন দ্রুত প্রাপ্তি ও এর গুরুত্ব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এ ছাড়া আদালত চত্বরের নিরাপত্তা, আদালত চলাকালে বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা, আদালত ভবনসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় এবং আদালত চত্বর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার বিষয়েও মতবিনিময় করা হয়।
আলোচনা শেষে অতিথিরা সম্মেলনটি ফলপ্রসূ হয়েছে বলে অভিমত ব্যক্ত করেন। সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজের দিকনির্দেশনা অনুযায়ী বিচারিক কার্যক্রম দ্রুততর করতে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তা, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরসহ অন্যান্য সংস্থার কর্মকর্তারা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানান।
সম্মেলনে বিচার বিভাগের কর্মকর্তাদের মধ্যে চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মাসুদুল হক, অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক আব্দুল কুদ্দুস, অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালত ও মহানগর মাদকদ্রব্য ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোঃ রেজাউল করিম, যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ মোঃ জাহিদ হাসান, স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট ফয়সাল তারেক, অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নাহিদ রহমান, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আতাউল্লাহ ও মোঃ আশিকুর রহমান এবং সিভিল জজ মোঃ মামুন উপস্থিত ছিলেন।
পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে আরএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোঃ ফারুক হোসেন, ডিসি (প্রসিকিউশন) মোঃ আবুল কালাম সাহিদ, ডিসি (ডিবি) মোঃ দেলোয়ার হোসেন, সিআইডি ও পিবিআইয়ের প্রতিনিধি, কোর্ট পুলিশ পরিদর্শকসহ আরএমপির ১২টি থানার অফিসার ইনচার্জরা উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়া এসআরবি-৫ রাজশাহীর লিগ্যাল অফিসার মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন, গণপূর্ত বিভাগ-১ রাজশাহীর নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ রাশেদুল ইসলাম, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইমার্জেন্সি মেডিকেল অফিসার ডা. গোলাম রাব্বী, বিজিবির সহকারী পরিচালক মোঃ মুয়াজ, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক আলী আসলাম হোসেন, প্রসিকিউটর আল মামুন তুহিন, বিএসটিআইয়ের সহকারী পরিচালক মোঃ আজিজুল হাকিম, রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার আল মামুন, নেসকোর সহকারী প্রকৌশলী মোঃ আদনান সাকিবসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা সম্মেলনে অংশ নেন।

মন্তব্য করুন