প্রকাশিত: ২৩ আগষ্ট, ২০২৬, ০৩:১৫ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
রাজধানীর দারুস সালাম থানাধীন ২য় কলোনি এলাকায় এক মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে ১০ বছর বয়সী এক শিশু শিক্ষার্থীকে যৌন নির্যাতনের মারাত্মক অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষক মো: ইয়াসিনকে (২০) পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয় জনতা। ভুক্তভোগী শিশুর মা বাদী হয়ে দারুস সালাম থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন (মামলা নং-২৩/১৪৯)।
ঘটনা ও মামলার বিবরণ
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী শিশুটি ২য় কলোনিস্থ 'ফয়জুর রহমান হাফিজুল কুরআন মাদ্রাসা ও এতিমখানা'র নুরানী বিভাগের আবাসিক শিক্ষার্থী। অভিযুক্ত শিক্ষক মো: ইয়াসিন একই মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করার পাশাপাশি সেখানে রাত্রিযাপন করতেন।
গত ১৩ আগস্ট ২০২৬ রাত আনুমানিক ১১.০০ ঘটিকার সময় অভিযুক্ত শিক্ষক কৌশল অবলম্বন করে ওই শিশুকে যৌন নির্যাতন ও ধর্ষণ করেন। পরবর্তীতে বিষয়টি কাউকে না বলার জন্য ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়। পরবর্তীতে মাদ্রাসা বন্ধ হলে শিশুটি বাড়ি ফিরে কান্নাকাটি করে পরিবারের কাছে বিস্তারিত ঘটনা প্রকাশ করে।
অভিযুক্তের পরিচয়
গ্রেফতারকৃত অভিযুক্ত শিক্ষক মো: ইয়াসিন (২০) চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর থানার লুদুয়া গ্রামের মো: বাবুল মিয়ার ছেলে। তিনি বর্তমানে দারুস সালাম থানার ২য় কলোনি গাবতলী পুলিশ ফাঁড়ির সংলগ্ন ফয়জুর রহমান মাদ্রাসায় অবস্থান করছিলেন।
আইনগত পদক্ষেপ
ঘটনা জানার পর ১৮ আগস্ট রাত আনুমানিক ২১.০০ ঘটিকার সময় স্থানীয় উত্তেজিত জনতা অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। পরবর্তীকালে ১৯ আগস্ট ২০২৬ তারিখ রাত ০১:১০ ঘটিকায় দারুস সালাম থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন (সংশোধনী/২০২০)-এর ৯(১) ধারায় জোরপূর্বক ধর্ষণের অভিযোগে মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়।
দারুস সালাম থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো: রাশেদুল ইসলাম ইমন মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তার দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। পুলিশ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া অব্যাহত রেখেছে।
মন্তব্য করুন