প্রকাশিত: ২৭ অক্টোবার, ২০২৬, ১২:১৫ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
বিজনেস ফাইল প্রতিবেদক
চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) বিদেশি ঋণ ছাড়ের পরিমাণ আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪২ দশমিক ৩৪ শতাংশ কমেছে। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই তিন মাসে বিদেশি অর্থছাড় হয়েছে ৬৬ কোটি ২৩ লাখ ডলার। বিপরীতে আগে নেওয়া ঋণের সুদ-আসল বাবদ পরিশোধ করতে হয়েছে ১৩৫ কোটি ১২ লাখ ডলার, যা ছাড় হওয়া ঋণের চেয়ে দ্বিগুণেরও বেশি। ছাড়ের বিপরীতে অস্বাভাবিক ঋণ পরিশোধের এই প্রবণতা দেশের অর্থনীতির ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করছে।
উদ্বেগের বিষয় হলো, এই প্রান্তিকে বিশ্বব্যাংক, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি), এআইআইবি এবং চীন, ভারত ও রাশিয়ার মতো বড় উন্নয়ন সহযোগীরা নতুন কোনো ঋণের প্রতিশ্রুতি দেয়নি। তবে অন্যান্য দাতা দেশ ও সংস্থা মিলিয়ে মোট ১২৭ কোটি ৩০ লাখ ডলারের প্রতিশ্রুতি পাওয়া গেছে। অর্থছাড়ের দিক থেকে এই তিন মাসে সবচেয়ে বেশি ১৯ কোটি ৬৫ লাখ ডলার দিয়েছে বিশ্বব্যাংক এবং দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৬ কোটি ২১ লাখ ডলার ছাড় করেছে এডিবি।
বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন জানান, বিগত সময়ে নেওয়া মেগা প্রকল্প ও বাজেট সহায়তার গ্রেস পিরিয়ড শেষ হয়ে যাওয়ায় ঋণ পরিশোধের চাপ প্রত্যাশিতভাবেই বেড়েছে। অর্থনীতির ধীরগতি কাটাতে এবং ডলারের সরবরাহ দ্রুত বাড়াতে তিনি দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্প ঋণের বদলে তাৎক্ষণিক ‘বাজেট সহায়তা’র ওপর জোর দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।
মন্তব্য করুন