প্রকাশিত: ১৫ সেপ্টেম্বার, ২০২৬, ০৬:৪৭ পিএম

অনলাইন সংস্করণ

রাজশাহী বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয়ের মানিলন্ডারিং মামলায় নওগাঁর মাদক সম্রাজ্ঞী ছাবিনা ও মেয়ে কারাগারে

রাজশাহী ব্যুরো

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয়, রাজশাহীর দায়ের করা মানিলন্ডারিং মামলায় নওগাঁর আলোচিত মাদক সম্রাজ্ঞী মোছা: ছাবিনা (৪৩) ও তার সহযোগী মেয়ে সালমা খাতুন (২২) কে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।

আজ মঙ্গলবার রাজশাহী বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয় থেকে পাঠানো এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানানো হয়।

ব্রিফিংয়ে জানানো হয়,পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী ছাবিনা দীর্ঘদিন ধরে নওগাঁর ভারতীয় সীমান্ত এলাকা থেকে হেরোইন ও ইয়াবা পাচার করে দেশের অভ্যন্তরে পাইকারি ও খুচরা বিক্রি করে আসছিলেন। অবৈধ মাদক ব্যবসার টাকা হস্তান্তর (placement), স্থানান্তর (layering) ও রূপান্তর (integration) করে বৈধ করার অভিযোগে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয়, রাজশাহী বাদী হয়ে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ (সংশোধিত ২০১৫) এ গত ১৫/০৩/২০২৬ খ্রি. তারিখে নওগাঁর ধামইরহাট থানায় মামলাটি দায়ের করে।

রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ছাবিনার নামে নওগাঁ জেলার বিভিন্ন থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ০৬টি ও Special Powers Act, 1974 আইনে ০১টিসহ মোট ০৭টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে।

রাজশাহী গোয়েন্দা কার্যালয়ের তদন্তে উঠে আসে, মাদক ব্যবসার মাধ্যমে ছাবিনা ব্যাংকের মাধ্যমে ৮৭,৫৪,৪১৭.৭১ টাকা লেনদেন, ৬১,৭১,০০০ টাকায় ধামইরহাটে ৭১.৭৫ শতাংশ জমি ক্রয় এবং ২,২১,২৭,২৫২.৭৭ টাকা ব্যয়ে ২টি দোতলা ভবন নির্মাণ করেন। এছাড়া অবৈধ অর্থ গোপন করতে মেয়ে সালমা খাতুনের নামে ১৩,০০,০০০ টাকার জমি ও ৮২,২৪,৩২২.৪০ টাকার ভবন নির্মাণ করেন।

দুজনের মোট অবৈধ সম্পদের পরিমাণ ৪,৬৫,৭৬,৯৯২.৮৮ টাকা। বিজ্ঞ সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালত, নওগাঁর আদেশে রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয়ের প্রস্তাবনায় এসব সম্পত্তি ক্রোক করা হয়েছে।

দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর গত ০৯/০৯/২০২৬ তারিখে তারা আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, ধামইরহাট, নওগাঁ তা নামঞ্জুর করে তাদের জেলহাজতে প্রেরণ করেন।

মন্তব্য করুন