প্রকাশিত: ৪ জুন, ২০২৬, ০৬:০৪ পিএম

অনলাইন সংস্করণ

আন্তর্জাতিক শ্রম সম্মেলনের সহসভাপতি পদে বাংলাদেশের নির্বাচনঃ একটি কূটনৈতিক মাইলফলক

বিজনেস ফাইল ডেস্ক
গত ১ জুন জেনেভায় ১১৪ তম আন্তর্জাতিক শ্রম সম্মেলনের সহসভাপতি পদে সর্বসম্মতিক্রমে নির্বাচিত হওয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশ কূটনৈতিক ক্ষেত্রে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক অতিক্রম করেছে। জেনেভায় নিযুক্ত বাংলাদেশের  রাষ্ট্রদূত ও স্থায়ী প্রতিনিধি মিজ নাহিদা সোবহান আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) বার্ষিক এই সম্মেলনের সহসভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন। শ্রম অধিকার ও কর্মসংস্থান সংক্রান্ত বিশ্বের শীর্ষ এই সম্মেলনে সভাপতি পদে উরুগুয়ের শ্রম ও সামাজিক সুরক্ষা বিষয়ক মন্ত্রী জুয়ান কাস্টিলো এবং সহসভাপতি পদে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ও স্থায়ী প্রতিনিধির পাশাপাশি আর্জেন্টিনার জেরার্ডো মার্টিনেজ এবং যুক্তরাষ্ট্রের মিজ ক্রিস্টেন কফম্যান দায়িত্ব পালন করবেন।
আন্তর্জাতিক শ্রম সম্মেলনের সহসভাপতি পদে সংস্থার ১৮৭ টি সদস্য রাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের সর্বসম্মতিক্রমে নির্বাচিত হওয়ার মধ্য দিয়ে বৈশ্বিক শ্রম ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশের নেতৃত্বস্থানীয় ভূমিকা, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার গণতন্ত্রায়ন, শোভন কর্মসংস্থান, সামাজিক ন্যায়বিচার ও শ্রমিক অধিকার রক্ষার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের নবনির্বাচিত সরকারের প্রতিশ্রুতির প্রতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমর্থন ও আস্থার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। পরিবর্তনশীল বিশ্বে শ্রম খাতের চ্যালেঞ্জসমূহ মোকাবেলায় বহুপাক্ষিক কূটনীতি জোরদার করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের ভূমিকা এই নির্বাচনের মাধ্যমে আরও সুদৃঢ়ভাবে স্বীকৃতি লাভ করেছে।
সম্মেলনের সহসভাপতি হিসেবে বাংলাদেশ শ্রমিক অধিকার ও কর্মসংস্থান সংক্রান্ত বৈশ্বিক গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন ইস্যুতে আইএলওর সদস্য রাষ্ট্রসমূহ এবং অংশীজনদের মধ্যে নীতিগত ঐক্যমত প্রতিষ্ঠায় কাজ করবে।
আইএলওর সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও নীতিনির্ধারণী প্রক্রিয়ায় আন্তর্জাতিক শ্রম সম্মেলন সর্বোচ্চ ফোরাম হিসেবে বিবেচিত হয়। একে বিশ্বের শ্রম সংসদ হিসেবেও অভিহিত করা হয়। প্রতিবছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে সরকার, শ্রমিক ও মালিক সংগঠনের প্রতিনিধিগণ এ সম্মেলনে শ্রম খাতের ভবিষ্যৎ নির্ধারণী গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন ইস্যুতে আলোচনায় অংশগ্রহণ করে থাকেন। এ বছরের সম্মেলনে প্রায় পাঁচ হাজার প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করছেন।
 

মন্তব্য করুন