প্রকাশিত: ২৫ মে, ২০২৪, ০৪:৩৫ এ এম
অনলাইন সংস্করণ
তরুণ উদ্যোক্তাদের সম্ভাবনার বিকাশের লক্ষ্যে কক্সবাজার থেকে শুরু হলো গ্রামীণফোনের স্টার্টআপ ইনোভেশন প্ল্যাটফর্ম জিপি এক্সিলারেটর ‘জেলায় জেলায় স্মার্ট উদ্যোক্তা’ বুটক্যাম্প। শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং সম্ভাবনাময় তরুণ উদ্যোক্তাদের উদ্ভাবনী শক্তিকে কাজে লাগিয়ে নতুন ব্যবসায়িক উদ্যোগ গ্রহণে আগ্রহীদের দক্ষতা অর্জন, নেটওয়ার্কিং এবং ফান্ডিংয়ের ক্ষেত্রে সহযোগিতা ও দিকনির্দেশনা প্রদানের লক্ষ্যে এ বুটক্যাম্পের আয়োজন করা হয়েছে।
মূলত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং সম্ভাবনাময় তরুণ উদ্যোক্তাদের উদ্ভাবনী শক্তিকে কাজে লাগিয়ে নতুন ব্যবসায়িক উদ্যোগ গ্রহণে আগ্রহী তরুণদের দক্ষতা অর্জন, নেটওয়ার্কিং এবং ফান্ডিংয়ের ক্ষেত্রে সহযোগিতা ও দিকনির্দেশনা প্রদানের লক্ষ্যে এই বুটক্যাম্পের আয়োজন করা হয়েছে। এতে প্রায় ৩০০ জন উদ্যোক্তা অংশ নেন। দেশের কয়েকটি জেলায় ধাপে ধাপে এই রিজিওনাল বুটক্যাম্পের আয়োজন করা হবে।
শুক্রবার শহরের পাবলিক লাইব্রেরি হলে মূল অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিন চৌধুরী। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন গ্রামীণফোনের জিপি এক্সিলারেটর প্রোগ্রাম লিড মুহাম্মদ সোহেল রানা। আরও উপস্থিত ছিলেন, সংশ্লিষ্ট শিল্পের বিশেষজ্ঞ ও প্রশিক্ষকেরা খ্যাতনামা ব্যক্তিত্ব ও অংশীজনেরা।
জসিম উদ্দিন বলেন, 'কক্সবাজারকে বিশ্ব দরবারে ব্রান্ডিং করার মতো অনেক কিছু আছে। আবার কক্সবাজারে বসে যেকোনো কিছুর ব্রান্ডিং করা যায়। তিনি বলেন, তরুণরাই আমাদের জাতির চালিকাশক্তি এবং তাদের উদ্ভাবনী ধারণা ও দৃষ্টিভঙ্গি অমূল্য। আমরা একটি স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
অনুষ্ঠানটি দুটি ভাগে বিভক্ত ছিল। দিনের প্রথম ভাগে ডিজাইন থিংকিংয়ের কলাকৌশল অর্থাৎ ডিজাইন থিংকিং কী, এর ধাপগুলো কী কী, প্রোডাক্ট টেস্টিং, মার্কেট রিসার্চ কীভাবে করতে হয়, ফিন্যানশিয়াল মডেলিং কীভাবে করতে হয়, ইনভেস্টমেন্টের জন্য পিচ ডেক কীভাবে বানাতে হয় এই বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।
বুটক্যাম্পের চূড়ান্ত পর্ব অর্থাৎ দ্বিতীয় ভাগে আইডিয়া পিচিং প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে স্থানীয় উদ্যোক্তাদের বিভিন্ন আইডিয়া উপস্থাপন করা হয়। যার মধ্যে স্থানীয় সমস্যা সমাধানকে সর্বোচ্চ গুরুত্বারূপ করা হয়।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, তরুণরাই এদেশের মুল চালিকাশক্তি। ভিশন অনুযায়ী ২০৪১ সালের স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলতে তরুণদের মেধা বিকাশ ও দক্ষতার বিকল্প নেই। এই প্রোগ্রামের মাধ্যমে তরুনেরা দক্ষতা অর্জনের পাশাপাশি স্মার্ট বাংলাদেশ রূপকল্প বাস্তবায়নে অবদান রাখবে।
প্রসঙ্গত, ২০১৫ সালে কার্যক্রম চালুর পর থেকে দেশের স্টার্টআপ খাতে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখে চলেছে জিপি এক্সিলারেটর।
মন্তব্য করুন